
প্রতিনিধি: নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট
এলাকা: শরীয়তপুর প্রতিনিধি
শরীয়তপুর জেলা যুবদলের সভাপতি পদকে ঘিরে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। আসন্ন কমিটিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা-পর্যালোচনার মধ্যে উঠে এসেছে একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম। তবে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন, বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী ও সংগ্রামী যুবদল নেতা এডভোকেট মৃধা নজরুল কবির।
তৃণমূলের নেতাকর্মীরা শরীয়তপুর জেলা যুবদলের সভাপতি হিসেবে এড. মৃধা নজরুল কবির’কে দেখতে চান।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি দলীয় রাজনীতি, আইন পেশা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। শরীয়তপুর জেলা যুবদলের বিভিন্ন ইউনিয়ন, উপজেলা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তৃণমূল পর্যায়ে তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। বিশেষ করে দলের দুঃসময়ে মাঠে সক্রিয় থাকা, নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানো এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করতে তার নিরলস পরিশ্রম তাকে অন্যদের থেকে এগিয়ে রেখেছে।
অনেক নেতাকর্মীরা জানান, “মৃধা নজরুল কবির একজন পরীক্ষিত, সাহসী ও কর্মীবান্ধব নেতা। তিনি সবসময় তৃণমূলের কথা চিন্তা করেন। আমরা চাই, তাকে জেলা যুবদলের সভাপতি হিসেবে দেখতে।”
শুধু রাজনৈতিক অঙ্গনেই নয়, সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তার রয়েছে বিশেষ অবদান। শিক্ষা বিস্তার, অসহায় মানুষের সহায়তা এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ তাকে সাধারণ মানুষের কাছেও জনপ্রিয় করে তুলেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও মনে করছেন, যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও তৃণমূলের সমর্থনের দিক থেকে মৃধা নজরুল কবির একজন শক্তিশালী প্রার্থী। দল যদি তৃণমূলের মতামতকে গুরুত্ব দেয়, তবে তিনি সভাপতি পদে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, জেলা যুবদলের নতুন নেতৃত্ব কেমন হবে, তা নিয়ে নেতাকর্মীদের মাঝে জোর আলোচনা চলছে। তবে তৃণমূলের স্পষ্ট মতামত, দলকে গতিশীল ও শক্তিশালী করতে পরীক্ষিত ও জনপ্রিয় নেতৃত্বই প্রয়োজন।
সবকিছু মিলিয়ে, শরীয়তপুর জেলা যুবদলের সভাপতি পদে এডভোকেট মৃধা নজরুল কবির এখন তৃণমূলের প্রত্যাশার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।
এদিকে, মৃধা নজরুল কবির জানান, তিনি ৭ জানুয়ারি ২০২৪ এর নির্বাচন বর্জনের দাবিতে শরীয়তপুরের বিভিন্ন স্থানে অবরোধ এবং টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করে।
আর নির্বাচনের ৩ দিন আগে বিভিন্ন স্থানে লিফলেট বিতরণ করে। এছাড়াও নির্বাচন বর্জনের দাবিতে শরীয়তপুরে অনশনে অংশগ্রহল করেন তিনি।
এছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যুবদলের এক প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পালং উত্তর বাজারে মিছিল করতে গিয়ে পালং মডেল থানার তৎকালীন ওসি আক্তার হোসেনের হাতে আটক হন তিনি।
আর আওয়ামী লীগের আমলে বিএনপির ফরিদপুর বিভাগীয় ও বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশে যোগদান করেন তিনি।
অন্যদিকে, তিনি ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির ডাকা মহাসমাবেশে যোগদান করে।
আর ১০ ডিসেম্বর ২০২২ রাজধানীর গোলাপবাগ মাঠের গণসমাবেশে যোগদান করে তিনি।
এছাড়াও যুবদলে তার কোন পদ না থাকা সত্ত্বেও তিনি হামলা ও মৃত্যুর ভয়কে উপেক্ষা করে শরীয়তপুর জেলা যুবদলের ব্যানারে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও তার ছবি ব্যবহার করে যুবদলের কেন্দ্রীয় ঘোষিত সকল কর্মসূচী পালন করে।