
প্রতিনিধি: শরীয়তপুর প্রতিনিধি:
এলাকা: ডেস্ক
শরীয়তপুর-১ (পালং-জাজিরা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ আহমেদ আসলাম বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা। তাঁরই ধারাবাহিকতায় আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমৃত্যু বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষ এবং গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করে গেছেন। আসন্ন নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং বৈষম্যহীন উন্নত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের রূপ নিতে যাচ্ছে। তবে সেই পথ চলায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। তারঁ চলে যাওয়ায় বাংলাদেশ এতিম হয়ে গেছে। তবে তাঁর দেখানো পথেই তাঁর সুযোগ্য সন্তান,বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা কাজ করে যাবো। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তাঁদের যে স্বপ্ন; সবাই মিলে তা বাস্তবায়ন করবো, ইনশাআল্লাহ। মোট কথা শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার আদর্শধারণ করে তারেক রহমানের নেতৃত্বে এগিয়ে যেতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে যাচাই-বাছাইয়ে এই বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সাঈদ আহমেদ আসলাম আরও বলেন, জনগণ দীর্ঘ ১৭ বছর ভোট দিতে পারেনি। জনগণ ভোট দেয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছে। নির্বাচনে জনগণের রায় নিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে, ইনশাআল্লাহ। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করে তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করবো আমরা। আর পালং-জাজিরা তথা শরীয়তপুর জেলার উন্নয়নে আমরা নিরলসভাবে কাজ করবো, ইনশাআল্লাহ।
এসময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি সরদার নাসির উদ্দীন কালু সহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সাঈদ আহমেদ আসলামের মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়ার পর তিনি শোকরানা নামাজ আদায় করেন।
উল্লেখ্য, শরীয়তপুর-১ আসনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও আনুষ্ঠানিকভাবে ৬জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন এবং ৩ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বিভিন্ন কারণে বাতিল ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তাহসিনা বেগম। মোট ভোটারের ১ শতাংশ ভোটার তালিকায় সঠিক না পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা ও সৈয়দ নজরুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়। আর ব্যাংক হিসাব পুরনো ও দাখিলকৃত ব্যাংক স্লিপের সঙ্গে মিল না থাকায় বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টির প্রার্থী নূর মোহাম্মদ মিয়ার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।