
প্রতিনিধি: নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট
এলাকা: ডেস্ক
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অর্গানাইজেশন (এফবিজেও) এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩ মে) বিকেল ৪টায় রাজধানীর পুরানা পল্টন কালভার্ট রোডস্থ ফায়েনাজ টাওয়ারে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সভা আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মজুমদার এবং সঞ্চালনা করেন মহাসচিব শামছুল আলম।
সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক কবি অশোক ধর, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সচিব ও আরজেএফ এর চেয়ারম্যান এস এম জহিরুল ইসলাম, যুগ্ম মহাসচিব লায়ন ড. এ জেড এম মাইনুল ইসলাম পলাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক এ এফ এম রাসেল পাটোয়ারী, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার তারেকুল ইসলাম এবং ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মুফতি শেখ আজিম উদ্দিন আহমেদসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সংগঠনের চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মজুমদার সকল সাংবাদিককে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সত্যের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়ে, নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধকে সঙ্গে রেখে আমরা যেন একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমুলক ভুমিকা রাখতে পারি। পাশাপাশি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
মহাসচিব শামছুল আলম বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সময়ে সাংবাদিকদের নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তাই পেশাগত নিরাপত্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সচিব ও আরজেএফ চেয়ারম্যান এস এম জহিরুল ইসলাম বক্তব্যে বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা করা সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য আরও সুদৃঢ় করতে হবে এবং পেশাগত নীতিমালা আরো টেকসই নীতিমালা প্রনয়ণ করতে হবে।
জাতীয় দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রার সম্পাদক ও প্রকাশক কবি অশোক ধর তার বক্তব্যে বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রাণ। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমরা এখনো অনেক ক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ পাই না।
যুগ্ম মহাসচিব লায়ন ড. এ জেড এম মাইনুল ইসলাম পলাশ বলেন, সাংবাদিকতা একটি সৃজনশীল ও দায়িত্বশীল পেশা। এখানে সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার চর্চা অত্যন্ত জরুরি।
সাংগঠনিক সম্পাদক এ এফ এম রাসেল পাটোয়ারী বলেন, সাংবাদিকদের উপর নানা চাপ ও প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়, যা সুস্থ সাংবাদিকতার পথে বাধা।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের সক্রিয় উপস্থিতি ও গঠনমূলক আলোচনার মধ্য দিয়ে শেষ হয়।